ছয় ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। আজ বিকেল ৪টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার সকালে সর্বশেষ দফায় স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে বাজুস। তখন ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর হয়।
চলতি বছর এ পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৪ দফা স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৮ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে সারা বছরজুড়ে ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমেছে।
এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছর এ পর্যন্ত রুপার দাম ১৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৬ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।