বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীন ‘পরীক্ষিত বন্ধুত্বের’ বন্ধনে আবদ্ধ। উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে চীনের আধুনিক প্রযুক্তি ও বড় পরিসরের বিনিয়োগ দেশের অবকাঠামো খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা প্রতিষ্ঠান ‘সিএমসি’র কাজের গুণগত মান ও নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করার সক্ষমতার ওপর সরকারের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। গত ছয় মাসে মান বজায় রেখে প্রকল্পের কাজের গতি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শেখ রবিউল আলম বলেন, জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অপচয় কমিয়ে সংশোধিত ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান ও সময়ানুবর্তিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার একাধিক মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে চীন সরকার এবং দেশটির বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ রয়েছে।
দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সেতুমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে চীনা চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সেতু মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।