গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহফুজ সরকার রাকিবকে গভীর রাতে এক তরুণীর বাড়িতে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আটকের পর তাদের মধ্যস্থতায় ওই তরুণীর সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। তবে মাহফুজ সরকার রাকিব এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলদহ (সৈয়দপুর) গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিলের বাড়িতে যান মাহফুজ সরকার রাকিব।
স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে তরুণীর সঙ্গে তাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী তাকে আটক করেন। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতি ও মধ্যস্থতায় আব্দুল জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সঙ্গে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে পড়ানো হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে মাহফুজ সরকার রাকিব দাবি করেন, শুক্রবার পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তার ভাষ্য, আগের রাতে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বিয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছিল। সে কারণেই তিনি কনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার আংশিক ও খণ্ডিত ভিডিও ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ বিষয়ে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু বলেন, মাহফুজ ও জুইয়ের মধ্যে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। রাতে এলাকাবাসীর হাতে আটকের ঘটনার পর শুক্রবার স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।