পরাজিত অপশক্তি হীন দলীয় স্বার্থে দেশে বিভেদ ও বিরোধ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালেও সব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নাগরিকদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ বছরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেম ও দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬-২৭ বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করেছে সরকার। নতুন প্রজন্মের মধ্যে নজরুল চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে বছরব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
সকালে সচিবালয়ে নজরুল গবেষক, সংগীতশিল্পী ও অনুরাগীদের নিয়ে একটি বিশেষ সভা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় তিনি নজরুল বর্ষ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত এবং আনুষ্ঠানিক লোগো উন্মোচন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরাভূত জাতির ভাগ্য আকাশে নজরুল ছিলেন এক অবিস্মরণীয় নাম। যেকোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তিনি আজও আমাদের অনুপ্রেরণা।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের সামনে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আশার আলোকবর্তিকা। তার সাহিত্য, কর্ম, চিন্তা, দর্শন ও জীবনবোধ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও তাকে তুলে ধরতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা নজরুলের স্মৃতি রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করেন এবং নজরুল চেতনা ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, পরাজিত অপশক্তি দেশে বিভেদ তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সরকার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর এবং এ লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।