আগামী আগস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে যেতে পারেন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক এবং অক্টোবরে তুরস্ক সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আসন্ন জাপান সফরে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি, উৎপাদন খাত, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতির আওতায় বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার বার্তা তুলে ধরা হবে এই সফরে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি এবং বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষাপটে সফরটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
ইপিএ চুক্তির ফলে জাপানের বাজারে প্রায় ৭ হাজার ৪০০ বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে। এতে রপ্তানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সফরে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্রোরেল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, যমুনা রেলওয়ে সেতুসহ জাপানের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন মেগা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
কূটনৈতিক সূত্রের মতে, জাপান সফরের পর সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সফরে ইউরোপের একটি দেশও সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর অক্টোবরে তুরস্ক সফর প্রায় চূড়ান্ত।