মানিকগঞ্জের ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামে ১০০ টন চাল ও ২০ টন গমের হিসাব না মেলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যগুদামে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গরমিল বরদাশত করা হবে না। এর সঙ্গে জড়িত কোনো সিন্ডিকেট থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খাদ্য অধিদপ্তরের বিশেষ অডিটে ঘিওর খাদ্যগুদামের মজুতের হিসাব নিয়ে বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ে। যাচাইয়ে হিসাবের চেয়ে ৪১ টন ধান বেশি পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে হিসাবের বাইরে ৬ হাজার ৫০০টি খালি বস্তারও সন্ধান পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ঘিওর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শ্রী বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৫ আগস্টের নিয়মিত পাক্ষিক প্রতিবেদনে গুদামের মজুত স্বাভাবিক দেখানো হয়েছিল। কিন্তু মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে পরিচালিত বিশেষ অডিটে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্যের হিসাবের গরমিল ধরা পড়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ২৫ আগস্ট পরিদর্শনের পর ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদাম সিলগালা করা হয়। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আইয়ুব রায়হান।
খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তদন্তে অনিয়মের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।