মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে মায়ের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে বিকেল ৪টার আগে নিজ গ্রামে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় দলীয় নেতা-কর্মী ছাড়াও হাজারো মানুষ অংশ নেন। বেলা আড়াইটায় ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
দাফনের আগে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনারের মাধ্যমে এই বর্ষীয়ান রাজনীতিককে শ্রদ্ধা জানানো হয়। দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে তার মরদেহ ভোলায় নেওয়া হয় এবং পরে ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়।
সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তোফায়েল আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। জীবনের শেষ আট মাসেরও বেশি সময় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। ১৯৭০ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।