জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতিসহ একাধিক মামলায় জামিন পাওয়ার পর এবার আরও দুই মামলায় জামিন আবেদন করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর বাইরে তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগসহ আরও কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে শাহবাগ, ফতুল্লা ও বন্দর থানায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলা এবং প্লট জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের একটি মামলা।
নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে গত ৮ মার্চ চার মামলায় এবং ১১ মার্চ দুদকের মামলায় জামিন পান তিনি।
পরে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করলেও গত ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেন।
তবে এর মধ্যেই যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার আরও দুই হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর এসব মামলায়ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে অবসরে যাওয়ার পর তিনি তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।