ঝিনাইদহের মহেশপুরে এনজিওর ঋণের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। চাচির কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তারই ভাতিজা।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে মহেশপুর উপজেলার মথুরানগর গ্রামের দত্তনগর-জলিলপুর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের একটি ব্যাংক থেকে ৬ লাখ টাকা উত্তোলনের পর ভাতিজা লিটনের মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন সেলিনা বেগম। পথে দুই ছিনতাইকারী মোটরসাইকেলে এসে তার হাত থেকে টাকাভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি মোটরসাইকেল শনাক্ত করে। পরে ওই সূত্র ধরে আমিনুর রহমান খান নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আমিনুর ছিনতাইয়ের ঘটনা স্বীকার করে এবং জানায়, পুরো পরিকল্পনার মূল হোতা ছিলেন সেলিনা বেগমের ভাতিজা লিটন। পরিকল্পনা অনুযায়ী লিটন ইচ্ছাকৃতভাবে মোটরসাইকেলের গতি কমিয়ে দেয়, আর সেই সুযোগে সহযোগীরা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
পরে পুলিশ আমিনুরের বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় লিটন ও বরকত নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে মামলার আরেক আসামি শাওন বদ্দি এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।