চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটি। বন্দরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কমিটি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বন্দর কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বন্দরের পরিচালন কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ হওয়া এবং নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা করেন কমিটির সদস্যরা।
এ সময় বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তি, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান জটিলতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্দরের কার্যক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা আপত্তি পর্যালোচনাকালে প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন ও সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।