দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনে কওমি মাদরাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের মাদরাসা, মক্তব, এতিমখানা ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জাকাত সংগ্রহের মাধ্যমে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজন পূরণে সহায়তা করছে। বিশেষ করে প্রায় ৮০ হাজার কওমি মাদরাসা জাকাত সংগ্রহের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের সাক্ষরতা, নৈতিক শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে ভূমিকা রাখছে।
তিনি জানান, জাকাত সংগ্রহ ও হকদারদের মধ্যে বিতরণের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ১৯৮২ সাল থেকে সরকারি জাকাত ফান্ড বিভাগ কাজ করছে। পাশাপাশি ২০২৩ সালে সরকার জাকাত আইন প্রণয়ন করেছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে জাকাত ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জাকাত বোর্ড গঠন, ব্যবস্থার সংস্কার, আধুনিকায়ন ও কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশি-বিদেশি উৎস থেকে জাকাত সংগ্রহ সহজ করার পাশাপাশি ব্যবস্থাটিকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সহযোগিতায় সরকারি জাকাত ফান্ডে দেওয়া অর্থের রসিদ আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সংযুক্ত করে কর রেয়াত পাওয়ার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
জাকাত ব্যবস্থাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য, আধুনিক ও গতিশীল করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।