অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আবারও সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টি এনসিপির মধ্যে ‘ওপেন সিক্রেট’।
রাশেদ খান দাবি করেন, ঢাকা-১০ আসনে আসিফ মাহমুদকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ ও বিতর্কের দায় নিতে অনাগ্রহের কারণে জামায়াতের আমির ওই আসনটি ছাড়তে রাজি হননি।
তিনি আরও দাবি করেন, এ বিষয়ে নাহিদ ইসলাম কয়েকজনের কাছে আক্ষেপ করেছিলেন এবং আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে আরও অভিযোগ করেন, আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ বিষয়ে নিজের কাছে তথ্য থাকার দাবি করে তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ অন্তত একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছেন—এমন তথ্য তিনি নিজে জানেন।
দুদকের অনুসন্ধান প্রসঙ্গেও রাশেদ খান বলেন, কোনো কর্মকর্তার বক্তব্যে শব্দের হেরফের হলেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগকে তিনি সত্য বলে মনে করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মী সাধারণ জীবনযাপন করলেও আসিফ মাহমুদ অল্প সময়ের উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় উল্লেখযোগ্য সম্পদের মালিক হয়েছেন।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তার এসব অভিযোগের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ তিনি প্রকাশ্যে উপস্থাপন করেননি। অন্যদিকে, এসব বক্তব্যের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।