প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এ সফর ঘিরে বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
আগামী ৯ আগস্ট (রোববার) প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী সফর করবেন। পরে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীতে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সফরসূচি চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয়ভাবেও প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন ইউনিট প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে।
দলীয় নেতারা জানান, এবারের সফরে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি সাংগঠনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে মহেশখালীতে পৌঁছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ত্রাণ বিতরণ এবং ১০০ গৃহহারা পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেবেন তিনি।
এ ছাড়া ফটিকছড়িতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং হাটহাজারীতে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী।
হাটহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ সহায়তা হিসেবে আর্থিক অনুদান এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে।
সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলে চট্টগ্রাম বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে রাত ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।