নবম জাতীয় বেতন স্কেল নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর অভিযোগ, বেতন স্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক চাপ বর্তমান সরকারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে গেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে মীর শাহে আলম বলেন, জাতীয় বেতন স্কেল প্রতিবছর ঘোষণা করা হলে সরকারের ওপর একসঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হতো না। অন্তর্বর্তী সরকার চাইলে এই বেতন কাঠামো আগেই ঘোষণা করতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ড. ইউনূস কত চালাক, উনি এটাও আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে গেছেন যে বিএনপি এলে বা যে ক্ষমতায় আসবে, সে করবে।”
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ধাপে ধাপে বাড়ানোর কথা রয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ এবং নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা ৪০ শতাংশ পাবেন।
পরবর্তী ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৭৫ শতাংশ এবং নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা ৭০ শতাংশ পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী পূর্ণ বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
বেতন স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি ও সরকারের ওপর এর আর্থিক প্রভাব নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।