এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ ম্যানেজমেন্ট কমিটির মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে—এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়াকে বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) মিলনায়তনে ‘সমৃদ্ধ অর্থনীতির বিনির্মাণে শিক্ষা: দক্ষতা, ভাষাগত সক্ষমতা ও বৈশ্বিক গতিশীলতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি সভার রেজুলেশনের আলোচনার অংশবিশেষ কেটে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। এটি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রজ্ঞাপন নয়। রেজুলেশনে মন্ত্রীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও সেই অংশ বাদ দিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো বিষয় যাচাই না করে মিছিল বা আন্দোলনে নামা অনভিপ্রেত। আলোচনার টেবিলে ওঠা কোনো প্রস্তাব রেজুলেশনে আসার পর সেটি সরাসরি চূড়ান্ত রাষ্ট্রীয়, প্রধানমন্ত্রীর বা দলীয় সিদ্ধান্ত হয়ে যায় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা ও অনিয়ম দূর করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যেই ২০০৪ সালে এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বর্তমানে ৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও কঠোর বার্তা দেন শিক্ষামন্ত্রী।