পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের ভবিষ্যতের শান্তিরক্ষা মিশনগুলো আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১০ জুন) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।
বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সাহস, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শান্তিরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শান্তিরক্ষা মিশনগুলোকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর নেমে আসা আঘাত এবং বিগত শাসনামলের বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের আরও শক্তিশালী ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং নতুন সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালনকালে নিহত ছয়জন শান্তিরক্ষীর পরিবারের সদস্যদের এবং আহত সাতজন শান্তিরক্ষীর হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি রক্ষায় তাদের অবদান রাষ্ট্র ও জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।