২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩২ লাখ ১৬ হাজার ৩৭ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একই সময়ে ১৩ কোটি ৭ লাখ মেট্রিক টন কার্গো এবং ৪ হাজার ৭৭টি জাহাজ হ্যান্ডলিং সম্পন্ন হয়েছে, যা গড়ে প্রায় ৪.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রেও নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে বন্দর। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৫ হাজার ৪৬০ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় করেছে। পাশাপাশি কর-পূর্ব মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৪২ কোটি টাকারও বেশি।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিজিটালাইজেশনের ফলে জাহাজের গড় টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম ২.১২ দিনে নেমে এসেছে। টিওএস, ই-গেইট, ই-পেমেন্ট, সিপিএ স্কাই এবং পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডোর মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যক্রম আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করা হয়েছে।
এছাড়া কর্ণফুলী চ্যানেলের ড্রেজিং প্রকল্পে কম খরচ নিশ্চিত করে সরকারের প্রায় ৬০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা হয়েছে। বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের কাজও এগিয়ে চলছে।
বন্দরকে ভবিষ্যতে বিশ্বমানের ‘গ্রিন ও স্মার্ট পোর্ট’-এ রূপান্তরের লক্ষ্যে রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০৪০ সালের মধ্যে বন্দরের সক্ষমতা চার গুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।