ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে নির্বাচনি আবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনগুলো হলো— ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ এবং গাইবান্ধা-৪। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর সব ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নথি আদালতের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ শুনানির জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে হাইকোর্টে এই ‘নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরপরই বিধি অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী এই আবেদনগুলো দাখিল করে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় নির্বাচনি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে নির্বাচিত সদস্যদের গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে আইনি জটিলতা ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে বর্তমানে দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে কারচুপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামী শুরু থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে এখন সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর নির্বাচনি নথিপত্র হাইকোর্টের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যা পরবর্তীতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।