কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন দুর্ঘটনার পাঁচ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলে রিলিফ ট্রেন এসে ঢাকা মেইল ট্রেনকে উদ্ধার করার পাশাপাশি আটকে থাকা বাসটিকে রেললাইন থেকে সরিয়ে নেয়। পরে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে আটজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগের মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। দুইজনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১৮ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার অজয় ভৌমিক।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, গেটম্যানের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রবিবার ভোরে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনের সঙ্গে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ নামে একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় ট্রেনটি দ্রুতগতিতে থাকায় বাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার সামনে ঠেলে নিয়ে যায়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, দুইজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১০ জন।