রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখে গুলশানের বাসার পথে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হন। এরপর লাল-সবুজ রঙের বাসে চড়ে গাড়িবহরসহ গুলশানের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
এর আগে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চ ত্যাগ করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে সরাসরি তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা হন এবং সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে তিনি মায়ের শারীরিক খোঁজখবর নেন।
এরও আগে বৃহস্পতিবার সকালে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে বিমানটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রাবিরতির পর বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ঢাকা বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এ সময় তিনি তাদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশলবিনিময় করেন এবং উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে তিনি জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করেন।
এরপর দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে বিমানবন্দরের সামনের এলাকা থেকে লাল-সবুজ বাসে ওঠেন তারেক রহমান। সেখান থেকে যাত্রা করে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় গণসংবর্ধনা মঞ্চের কাছে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছাতে তার সময় লাগে প্রায় সোয়া তিন ঘণ্টা।
দিনভর কর্মসূচি শেষে রাতে মাকে দেখে গুলশানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রত্যাবর্তনের দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হয়।