নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম এবং বিএনপির প্রার্থী মুহাম্মদ নওশাদ জমিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন প্রশাসন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে তাদের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোটিশে সারজিস আলমের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—পঞ্চগড় সুগার মিল মাঠে ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনি সভায় অনুমতি ছাড়া গেট ও তোরণসহ তিনটি তোরণ নির্মাণ, দলের প্রধান নন—এমন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন এবং রিটার্নিং অফিসারের কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি দাখিল না করেই অনলাইন প্রচারণা চালানো।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো—২৩ জানুয়ারি বিকেলে পঞ্চগড় পৌর এলাকায় আচরণবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত অভিযানে তাঁর কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে বিধি লঙ্ঘন, করতোয়া সেতুর দুই পাশে, বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছে বিধিবহির্ভূতভাবে ফেস্টুন লাগানো, এসব ফেস্টুন অপসারণে বাধা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ, নির্ধারিত মাপ না মেনে ফেস্টুন স্থাপন, দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, গভীর রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি জমা না দিয়েই প্রচারণা চালানো।
নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, উভয় প্রার্থী নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। সে কারণেই শোকজ নোটিশ দিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই প্রার্থীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।