যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন বিচার বিভাগ সাম্প্রতিক সময়ে অবমুক্ত করা জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিতে ক্রাউন প্রিন্সেস মেত্তে-মারিত–এর নাম ও যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। নথিতে ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ই-মেইলে নিয়মিত যোগাযোগের উল্লেখ রয়েছে; কিছু নথিতে তাঁর নাম বহুবার এসেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
নথি প্রকাশের পর দেওয়া বিবৃতিতে মেত্তে-মারিত এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে অনুতাপ প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি এপস্টেইনের অতীত সম্পর্কে যথাযথভাবে খোঁজ নেননি এবং এপস্টেইনের ভুক্তভোগীদের প্রতি তাঁর সহমর্মিতা রয়েছে।
প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ওই সময়ের ই-মেইল আদান–প্রদানে ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে ২০১৩ সালে ফ্লোরিডার পাম বিচে এপস্টেইনের একটি বাড়িতে কয়েক দিন অবস্থানের কথাও আছে। তবে নথিতে নাম থাকা মানেই অপরাধ প্রমাণ—এমন নয় বলেও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
রাজপ্রাসাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে লিখিত যোগাযোগ বন্ধ করা হয়। কারণ, এপস্টেইন রাজপরিবারের সঙ্গে যোগাযোগকে প্রভাব বিস্তারের কাজে লাগাতে চাইছেন—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল।
এই বিতর্কের সময়টি নরওয়ের রাজপরিবারের জন্য সংবেদনশীল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ, মঙ্গলবার মারিউস বর্গ হইবি–এর বিরুদ্ধে আনা ৩৮টি অভিযোগের বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে; অভিযোগগুলোর মধ্যে ধর্ষণসহ সহিংসতা ও মাদকসংক্রান্ত বিষয়ও আছে। তিনি গুরুতর অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন এবং তাঁর কোনো রাজকীয় উপাধি নেই।