হলফনামায় দেওয়া আয়ের তথ্যে অসামঞ্জস্যের বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত ও একটি ‘টাইপিং মিসটেক’ বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী সারজিস আলম। তিনি বলেন, ভুলটি আইন অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে এবং এতে কোনো গোপনীয়তা বা অসৎ উদ্দেশ্য নেই।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড়ের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
সারজিস আলম জানান, আয়কর রিটার্নে উল্লেখিত আয়ের অঙ্ক লেখার সময় তাদের পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবীর অনিচ্ছাকৃত টাইপিং ভুলে ৯ লাখ টাকার জায়গায় ২৮ লাখ টাকা লেখা হয়। বিষয়টি তখনই জেলা প্রশাসকের নজরে আসে এবং সংশ্লিষ্ট পাতাটি সংশোধন করে পুনরায় জমা দিতে বলা হয়। পরে ভুল তথ্য সংশোধন করে সাপ্লিমেন্টারি কাগজ জমা দেওয়া হয়েছে, যা আইনসম্মতভাবেই করা সম্ভব।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির লোকজন তাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তার ভাষায়, নির্বাচনের আগে যদি এভাবে ক্ষমতা, পেশিশক্তি ও কালোটাকার প্রদর্শন শুরু হয়, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে সারজিস আলম বলেন, গত এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে যদি কেউ তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ হাজির করতে পারে, তাহলে যে শাস্তি দেওয়া হবে তা তিনি মেনে নেবেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রপাগান্ডা ছড়াতে যারা তাকে আওয়ামী লীগের ‘পেইড এজেন্ট’ হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।