জাপান জুড়ে বিদেশী কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। দেশটির বিভিন্ন কারখানা, মৎস্য এবং ওয়ার্কশপগুলো সচল রেখেছে বিদেশি কমীরা। কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলিতে মজুরি বৃদ্ধির সাথে সাথে, অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা মনে করছেন জাপান আর এই কর্মীদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল না-ও হতে পারে।
টোকিওর পূর্বে চিবা প্রিফেকচারে একটি বৃহৎ মাছ ধরার বন্দর অবস্থিত চোশিতে। এর কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে বিদেশী কর্মীদের উপর নির্ভরশীল।
মিস হো থি থুই নুং, (৩৮) সকাল ৮ টায় কাজ শুরু করেন। তার কাজ একটি মেশিন পরিচালনা করা যা মাছের মাথা এবং লেজ কেটে দেয়। প্রতিটি মুহুর্তে মনোযোগ এবং নির্ভুলতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘যখন আমি প্রথম শুরু করি, তখন আমি বিভ্রান্ত ছিলাম কারণ কাজের অনেক ধাপ ছিল। কিন্তু আমি দ্রুত শিখেছিলাম। কাজ প্রায়শই পরিবর্তিত হয়, এখন আমি অভ্যস্ত হয়ে গেছি, এখন কাজ ভালো লাগছে।’
মিস নুং তাওয়ারা ক্যানিং-এর একজন ভিয়েতনামী টেকনিক্যাল ইন্টার্ন প্রশিক্ষণার্থী। তিনি গত গ্রীষ্মে জাপান এসেছিলেন তার স্বামী এবং তাদের আট বছরের ছেলেকে রেখে। ক্যানারিতে নিযুক্ত ৮০ জন ব্যক্তির মধ্যে ১৬ জন ভিয়েতনামের টেকনিক্যাল ইন্টার্ন প্রশিক্ষণার্থী।
জাপান তার বিতর্কিত টেকনিক্যাল ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করছে ১৯৯৩ সালে। এটিকে সস্তা শ্রম অর্জনের মাধ্যম হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া কঠোর কর্মপরিবেশ কাজ করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য এই কমৃসূচি সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। দ্য স্ট্রেইট টাইমস
তারেক/