ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ১০ম দফার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং দেশটির বিমান বাহিনী প্রধানের দপ্তর সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। ‘খাইবার’ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে চালানো এই অতর্কিত হামলায় লক্ষ্যবস্তু দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিখোঁজ রয়েছেন। তার বর্তমান অবস্থা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অধিকৃত ভূখণ্ডের বেইত শেমেশ এলাকায় নেতানিয়াহুর পূর্বনির্ধারিত একটি সফর বাতিল করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ওই এলাকাটিও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু ছিল। উল্লেখ্য, ৫ ঘণ্টা আগে সম্প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তার পর থেকে নেতানিয়াহুর আর কোনো নতুন ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি। হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলোতেও এখন পর্যন্ত তাঁর অবস্থান বা শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রচার করা হচ্ছে না।
শনিবার ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এই প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ১০ দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের এই সুনির্দিষ্ট হামলাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হেনেছে।
বর্তমানে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিটি ধাপেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়বে দখলদার বাহিনী।