কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জুলকারনাইন সায়েরের ভিডিও ক্লিপ এবং অনুসন্ধানী পোস্টগুলোর মাধ্যমে ওসমান হাদির ওপর গুলি করা সন্ত্রাসীর পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। তার এই প্রচেষ্টায় মির্জা আব্বাস তথা বিএনপি অনেক বড় একটা ব্লেম থেকে রক্ষা পেল।
ঘটনার সাথে সাথেই মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করে সাদিক কায়েম থেকে শুরু করে শফিকুর রহমান পর্যন্ত উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে। ফ্রান্স আর নিউইয়র্কের ইউটিউবাররা তো মির্জা আব্বাসকে ঘটনার এক নম্বর আসামি করার, গোয়েন্দা সংস্থা দুইটা বন্ধ করে দেওয়ার প্রেসক্রিপশন দিয়ে দিয়েছে।
ডাকসু নেত্রী জুমা ঢাকা মেডিক্যালে চরম ঔদ্ধত্যতা দেখিয়েছে, মির্জা আব্বাসকে চরমভাবে হেনস্থা করেছে। তার সাথে থাকা ক্যাপ পরিহিত ছেলেটা মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেছে, আপনি গুলি করায়েছেন।
মির্জা আব্বাস এবং বিএনপি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে মাসের পর মাস চরম ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। যতই ধৈর্য্য দেখাচ্ছে ,তারা ততই বিএনপিকে পেয়ে বসছে। অনেকেই বিএনপির ধৈর্য্যকে দূর্বলতাও ভাবছে। একবার ভাবুন তো, বিএনপি যদি প্রতিরোধ শুরু করে তাহলে দেশের পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে?
বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াত শিবির অবিরাম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। পবিত্র কোরআনে আছে “তারা ষড়যন্ত্র করে, আর আল্লাহও পরিকল্পনা করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।" (সূরা-আল আনফাল, আয়াত-৩০)।
ষড়যন্ত্রকারী আল্লাহর নিকট অভিশপ্ত। আমাদের খুব পরিচিত একটি প্রবাদবাক্য আছে- ‘অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে সে গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়'। ইনশাআল্লাহ জামায়াত-শিবির তাদের খুঁড়া গর্তে নিজেরাই পড়বে।