দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তন এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান পদে রদবদল নিয়ে সরকারের উচ্চমহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উচ্চশিক্ষা খাতে প্রশাসনিক গতিশীলতা আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।
ইতিমধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করলেও এখনো সেটি চূড়ান্তভাবে ‘অ্যাকসেপ্ট’ বা অনুমোদন করেননি। তবে প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সম্ভাবনা প্রবল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়—রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও নতুন মুখ আসতে পারে। পাশাপাশি ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজকে সরিয়ে সেখানেও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদেও রদবদলের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় আছে।
এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইউজিসি ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পরিবর্তন আনার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিদের এসব পদে নিয়ে আসার মাধ্যমেই উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার করা হবে বলে আশা করছে সরকার।